ঢাকা
খ্রিস্টাব্দ

১৫ কর্মচারীকে বদলি

শ্রমিক-কর্মচারীদের টানা কর্মবিরতিতে অচলাবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দর

এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ
দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫.৫২ অপরাহ্ন

আপডেট : বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬.০০ অপরাহ্ন


নিউজটি দেখেছেনঃ 1474900 জন

  • নিউজটি দেখেছেনঃ 1474900 জন
শ্রমিক-কর্মচারীদের টানা কর্মবিরতিতে অচলাবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দর

বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের ডাকে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শ্রমিক-কর্মচারীদের টানা কর্মবিরতির কারণে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে বন্দরের সব কার্যক্রম কার্যত বন্ধ রয়েছে।


আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু হয়। এর ফলে বন্দরের জেটি টার্মিনাল শেড ও ইয়ার্ডে কাজ পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে। এর আগে গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত কর্মবিরতি পালন করে এই সংগঠনটি।


কর্মবিরতির কারণে বিভিন্ন জেটিতে অবস্থানরত জাহাজ থেকে কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও খোলা পণ্য ওঠানো নামানো বন্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে আমদানি পণ্যের ডেলিভারি কনটেইনার হ্যান্ডলিং জেটিতে জাহাজ আনা নেওয়া অফডক থেকে কনটেইনার পরিবহন এবং বন্দরের ভেতরে পণ্যবাহী যান চলাচলও বন্ধ আছে। তবে বন্দরের বহিনোঙরে মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাস স্বাভাবিক আছে বলে জানা গেছে।


বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, সরকার ইজারা প্রক্রিয়া থেকে সরে না আসা পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। তিনি জানান, এনসিটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। এটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।


এর আগে এনসিটি ইজারার প্রতিবাদে শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তিন দিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করেন শ্রমিক কর্মচারীরা। সোমবার কর্মসূচি শেষে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের আরেক সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বুধবার সকাল ৮টা থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ডাক দেন।


আন্দোলনের প্রথম দিন কর্মবিরতির পর বন্দর কর্তৃপক্ষ চারজনকে তাৎক্ষণিক বদলি করে। একই সঙ্গে একদিনের কর্মবিরতিতে রাজস্ব ক্ষতি নিরূপণে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত রবিবার আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত আরো ১২ জনকে বদলি করা হয়।


সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আন্দোলনে অংশ নেওয়া আরো ১৫ কর্মচারীকে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এসব বদলির তথ্য জানানো হয়।


চলমান কর্মবিরতিতে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ এলএসবিডি/এনকেডি

কমেন্ট বক্স
বাংলাদেশ | জাতীয়
দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫.৫২ অপরাহ্ন
আপডেট : বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬.০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ