ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সীমান্ত জুড়ে কঠোর নজরদারিতে আছে বিজিবি। নির্বাচনে বাহিনীটির করণীয় নিয়ে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্করস্থ ৪ বিজিবি দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন বাহিনীটির সিইও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোশারফ হোসেন।
তিনি বলেন, বিজিবি কুমিল্লা সেক্টর সদর দপ্তরের অধীনে সব ব্যাটালিয়ন সীমান্ত জুড়ে অবৈধ অস্ত্র, চোরাচালান রোধসহ সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। বিজিবি কুমিল্লা সেক্টরের অধীনস্থ ব্যাটালিয়ন সমূহের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৬টি জেলার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী) ৫৩টি উপজেলায় ৩৪টি সংসদীয় আসনের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী ৩টি উপজেলায় সেনাবাহিনী ব্যতীত এককভাবে দায়িত্ব পালন করবে। এ ছাড়া সীমান্তবর্তী ৯টি উপজেলাসহ আরও ৪১ উপজেলায় সেনাবাহিনী ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে ‘মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি।
এর মধ্যে কুমিল্লা সেক্টরের অধীনে ফেনী ব্যাটালিয়ন-৪ বিজিবি’র আওতায় ১৯ উপজেলার ১২টি সংসদীয় আসন, কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন-১০ বিজিবি’র আওতায় ২২ উপজেলার ১৪টি সংসদীয় আসন, সরাইল ব্যাটালিয়ন ২৫ বিজিবি’র আওতায় ৫টি উপজেলার ৩টি সংসদীয় আসন এবং সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের আওতায় ৬ বিজিবি’র আওতায় ৭ উপজেলায় ৫টি সংসদীয় আসনে ১লা ফেব্রুয়ারির মধ্যে ১০২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সময় মোতায়েনকৃত বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় স্থাপিত অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্পে অবস্থান করে নির্বাচনে মোবাইল স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করবে। একইসঙ্গে সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিতে কুমিল্লা সেক্টরের মধ্যে ৩২৭ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অস্ত্র-গোলাবারুদ, মাদকদ্রব্যসহ চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আভিযান অব্যাহত আছে বলেও জানান।