আওয়ামী লীগের নেত্রী ও সাবেক সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী ৮২ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তার মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন সংবাদপত্রে লেখালেখি এবং সমালোচনা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) তার ফেসবুক পেজে এই বিষয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, দেশের প্রথম সারির সংবাদপত্রগুলো মতিয়া চৌধুরীর দীর্ঘ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, তবে সেগুলোতে গাঢ় শোকের পরিবর্তে সাধারণ প্রশংসা প্রকাশ পেয়েছে।
শফিকুল আলম বলেন, "মতিয়া চৌধুরীর ছাত্র ইউনিয়নের নেতা হিসেবে ১৯৬০ সালের ভূমিকা ও মুক্তিযুদ্ধে তার অংশগ্রহণ অস্বীকার করার মতো নয়। কিন্তু সাংবাদিকদের উচিত ছিল তার শেখ হাসিনার শাসনে ভূমিকাসমূহের সমালোচনা করা, যা তারা এড়িয়ে গেছেন।"
তিনি বলেন, "সংবাদ মাধ্যমের উচিত ছিল গত ১৫ বছরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিষয়টিও সামনে আনা।" আলমের মতে, সাংবাদিকরা মৃত ব্যক্তির সমালোচনা না করার ইসলামী রীতি মেনে চলার কারণে শোক সংবাদ লেখার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছেন।
মতিয়া চৌধুরী মৃত্যুর আগে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন এবং কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সরকারের পতনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় তাঁর নাম উল্লেখ করা হচ্ছে।
এভাবেই মতিয়া চৌধুরীকে কেন্দ্র করে সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা এবং তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হয়েছে।