ঢাকা
খ্রিস্টাব্দ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে চূড়ান্ত শুনানি শেষ, রায় ২০ নভেম্বর

পুনরায় ফিরবে কি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা?
দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি | দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ
ঢাকা
মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫, ২.৫১ অপরাহ্ন

আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫, ২.৫২ অপরাহ্ন


নিউজটি দেখেছেনঃ 866720 জন

  • নিউজটি দেখেছেনঃ 866720 জন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে চূড়ান্ত শুনানি শেষ, রায় ২০ নভেম্বর
৥- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট: কম্পিউটার-জেনারেটেড গ্রাফিক ছবি।


তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে দাখিল করা আপিলের চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত আগামী ২০ নভেম্বর রায় ঘোষণা করবেন। এই রায়কে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে চলছে ব্যাপক আলোচনা—পুনরায় ফিরবে কি তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা, সেটিই এখন জনমনের প্রশ্ন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ১০ দিনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য আগামী ২০ নভেম্বর দিন রেখেছেন।

এর আগে গত ২১, ২২, ২৩, ২৮, ২৯ অক্টোবর, ২, ৪, ৫ ও ৬ নভেম্বর শুনানি হয়। এ ৯ দিনে ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ ৫ জনের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া, ইন্টারভেনার হিসেবে আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেনের পক্ষে আইনজীবী এস এম শাহরিয়ার এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, রুহুল কুদ্দুস ও রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো আসাদুজ্জামান। 

এর আগে ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারী পক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ ছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

পরে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ এলএসবিডি/এনকেডি

কমেন্ট বক্স
বাংলাদেশ | জাতীয়
দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি | দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ
ঢাকা
মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫, ২.৫১ অপরাহ্ন
আপডেট : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫, ২.৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ