ঢাকা
খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম/মিরসরাই উপজেলা

খাল খননেই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত দেখছেন অর্থমন্ত্রী

পরিকল্পনা ও লক্ষ্য বাস্তবায়ন হলে দেশের চিত্র বদলে যাবে
দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ৫.০৫ অপরাহ্ন

আপডেট : সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ৫.০৫ অপরাহ্ন


নিউজটি দেখেছেনঃ 494128 জন

  • নিউজটি দেখেছেনঃ 494128 জন
খাল খননেই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত দেখছেন অর্থমন্ত্রী
ছবি: মিরসরাইয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ।

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সারাদেশে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় অঙ্কের বাজেট বরাদ্দ রেখেছে সরকার, পরিকল্পনা ও লক্ষ্য বাস্তবায়ন হলে দেশের চিত্র বদলে যাবে। সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে মিরসরাইয়ে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল জলাধরা খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের উদ্যোগে বামনসুন্দর এলাকার আলিরপোল এলাকা থেকে বানাতলী পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলাকা পুনঃখনন করা হবে। 

মন্ত্রী বলেন, অর্থের বিষয়টি অবশ্যই বড়। তবে সব হিসাব-নিকাশ করেই আমরা এই প্রকল্পে হাত দিয়েছি। প্রতিটি প্রকল্পই কস্টেড অ্যান্ড বাজেটেড। অর্থাৎ খরচ নির্ধারণ ও বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে পরিকল্পনা করা হয়েছে। ধাপে ধাপে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সারাদেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে।



আমরা যদি ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করতে পারি- তাহলে বাংলাদেশের চিত্রই বদলে যাবে উল্লেখ করে মর্মে তিনি বলেন, এর মধ্যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার খাল খননের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বিশাল কর্মসূচি একদিনে শেষ করা সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। 

খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি, পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে উল্লেখ করে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, একটি খালের কাজ সম্পন্ন হলে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমি নতুন করে চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং এতে প্রায় পাঁচ হাজার মেট্রিক টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন সম্ভব হবে।

খাল দখলমুক্ত করার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক খাল দখল হয়ে গেছে। তবে ইতোমধ্যে এসব খালের সীমানা নির্ধারণ বা ডিমারকেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যেখানে সরকারের খালের মালিকানা আছে, সেখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দখল করে রাখার সুযোগ পাবে না। সীমানা নির্ধারণের পর সেই অনুযায়ী খাল খননের কাজ করা হবে।

সরকারের লক্ষ্য, উন্নয়ন প্রকল্পগুলো স্বচ্ছতার সাথে বাস্তবায়ন করা এবং দুর্নীতির সুযোগ কমিয়ে আনা। কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মতো খাল খনন প্রকল্পও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম ১ (মিরসরাই) সংসদ সদস্য নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মুহাম্মদ বদিউল আলম সরকার প্রমুখ।


নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ এলএসবিডি/এনকেডি

কমেন্ট বক্স
বাংলাদেশ | জাতীয়
দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ
চট্টগ্রাম
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ৫.০৫ অপরাহ্ন
আপডেট : সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ৫.০৫ অপরাহ্ন