ঢাকা
খ্রিস্টাব্দ

সীমান্ত বাহিনী আধুনিকায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর / জাতীয় সেনা দিবসে শহীদ পরিবারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার
সীমান্ত বাহিনী আধুনিকায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

ছবিঃ প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে এবং দেশের স্বার্থে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও আধুনিক, সুসংহত ও সময়োপযোগী করা হবে। তিনি জানান, সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতার সঙ্গে সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।

বিস্তারিত
সীমান্ত বাহিনী আধুনিকায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর / জাতীয় সেনা দিবসে শহীদ পরিবারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার
সীমান্ত বাহিনী আধুনিকায়নের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

ছবিঃ প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে এবং দেশের স্বার্থে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও আধুনিক, সুসংহত ও সময়োপযোগী করা হবে। তিনি জানান, সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতার সঙ্গে সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।

বিস্তারিত
ফেনীতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাত ১২ টা ১ মিনিটের সময় পৌরশহরের জিরো পয়েন্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রথমে জেলা প্রশাসক এরপর ফেনী-২ আসনের সাংসদ, পুলিশ সুপার ও মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ক্রমান্বয়ে শহীদের প্রতি ফুল শ্রদ্ধা জানান। এরপর শহীদ বদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় জেলা বিএনপি সহ বিভিন্ন অংগসগঠন। 

যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে  মহান এ দিবসটি পালিত হয়েছে। দিবসের সূচনায় শহরের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শতশত মানুষের ঢল দেখা গেছে।

পরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, এনজিও এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন।

এ সময় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে মানুষের ঢল নামে। অল্প সময়ের মধ্যেই শহিদ মিনার বেদী ফুলে ফুলে ভরে যায় এবং পুরো এলাকাজুড়ে বিরাজ করে এক আবেগঘন পরিবেশ।
শুক্রবার দিবাগত রাতে (২১ ফেব্রুয়ারি) ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে তিনি স্থানীয় শহীদ মিনারে ফুল অর্পণ না করেই সেখান থেকে চলে আসতে বাধ্য হন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার সমর্থকেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে মহাসড়কের দুই পাশে অন্তত ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রুমিন ফারহানার সমর্থকদের অভিযোগ, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মাস্টারের নেতৃত্বে একদল যুবক মিছিল নিয়ে এসে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে এবং এক পর্যায়ে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে বাধা দেয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তিনি শহীদ মিনার ত্যাগ করেন।

ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, “পরিকল্পিতভাবে হামলার চেষ্টা হয়েছে। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে। বিএনপি যদি এখনই মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করে, এর পরিণাম ভয়াবহ হবে।” তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এ সময় আব্দুল আহাদ নামে তার এক আহত কর্মীর অবস্থাও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তুলে ধরেন তিনি।

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। উত্তেজনা প্রশমনে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

খারিজ হয়ে যাওয়া একটি হত্যা মামলা নতুন করে দায়ের করে একজন সাংবাদিককে গায়েবিভাবে আসামি করার ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় নয় বছর আগের একটি হত্যা মামলায় পরশুরামের সাংবাদিক আবু ইউসুফ মিন্টুকে নতুন করে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া আমলী আদালত সংশ্লিষ্ট হত্যা মামলাটি খারিজ করে দেন। তবে খারিজের প্রায় আট বছর পর গত ১৭ ডিসেম্বর নিহতের খালাত ভাই পরিচয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মো. জাহাঙ্গীর আলম পুনরায় আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ড. হাসান মাহমুদকে প্রধান আসামি করে মোট ১০২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬ নম্বর ক্রমিকে ফেনীর পরশুরামের সাংবাদিক আবু ইউসুফ মিন্টুর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অথচ ঘটনার সময় ও ঘটনার স্থান—উভয়ের সঙ্গেই সাংবাদিক মিন্টুর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলের বাইরে থাকা একজন সাংবাদিককে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গায়েবি আসামি করায় ফেনী জেলার সাংবাদিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ ও হয়রানির অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

সাংবাদিক আবু ইউসুফ মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করে আসছেন। তিনি ২০০০ সালের শুরুতে দৈনিক প্রথম আলোর কন্ট্রিবিউটর হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং পরে পরশুরাম-ফেনী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। টানা তের বছরেরও বেশি সময় প্রথম আলোর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার পর একে, যায়যায়দিন, আজকের পত্রিকা, দৈনিক আমাদের সময়, ইংরেজি দৈনিক নিউ এজে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। প্রায় ২৭ বছর ধরে তিনি পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতারা বলছেন, মিথ্যা মামলা দায়ের করা একটি ভয়ংকর অপরাধ। এ ধরনের হয়রানি অব্যাহত থাকলে তা কেবল একজন সাংবাদিক নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্যই ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। তারা অবিলম্বে গায়েবি আসামির তালিকা থেকে সাংবাদিক মিন্টুর নাম প্রত্যাহার এবং মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সাংবাদিক সমাজ মনে করছে, আজ যদি একজন সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়, কাল তা সবার জন্যই অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই ফেনীসহ সারাদেশের সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) একসঙ্গে তিন বোন ৯ তলা ভবন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তারা সবাই নাবালিকা এবং গাজিয়াবাদের একটি আবাসিক সোসাইটির বাসিন্দা। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বোন তিনজন বিশিকা (১৬), প্রাচী (১৪) ও পাখি (১২) আত্মহত্যা করার আগে ঘরটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে রাখে। আশপাশের বাসিন্দারা ঘুমে থাকায় তারা ঘটনাটি ততক্ষণ বুঝতে পারেননি। পরে তিন বোনের নিচে পড়ার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। পরিবার যখন দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে, তখন তারা ইতিমধ্যেই লাফিয়ে পড়েছিল।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন বোন এক কোরিয়ান গেমের নেশায় ছিল, যা তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের অন্যতম কারণ ছিল। করোনাকালে তারা অনলাইনে গেমের প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে, নিয়মিত স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। তারা তাদের গেমের প্রিয় চরিত্রের মতো নিজেদের কোরিয়ান নামও ব্যবহার করত।

গেম আসক্তির কারণে তাদের আচরণে এক ধরনের অদ্ভুত ঘনিষ্ঠতা ছিল, খাওয়া, ঘুমানো, গোসল সবকিছুই তারা একসঙ্গে করত। বাড়ি থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে কান্নার ইমোজি দিয়ে লেখা ছিল, ‘দুঃখিত, বাবা’।

এই ঘটনাটি সামাজিক সচেতনতার জন্য একটি শোকাবহ সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে তরুণ প্রজন্মের মানসিক চাপ ও গেম আসক্তির প্রভাবের গুরুত্ব পুনরায় আলোচিত হচ্ছে।
ফেসবুকে আমরা

ভিডিও গ্যালারী

আরো ভিডিও দেখুন

 

 

সর্বশেষ প্রকাশিত সংবাদ আরো খবর