ঢাকা
খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ / স্থানীয় সরকার নির্বাচন: অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন / প্রস্তুতি জোরদার, সংলাপের পর তফসিল ঘোষণা হতে পারে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন

গ্রাফিকঃ দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কোন স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ নাকি ইউনিয়ন পরিষদ—সে বিষয়ে মতামত নিয়ে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায় কমিশন।

বিস্তারিত
বাংলাদেশ / স্থানীয় সরকার নির্বাচন: অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন / প্রস্তুতি জোরদার, সংলাপের পর তফসিল ঘোষণা হতে পারে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন

গ্রাফিকঃ দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কোন স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ নাকি ইউনিয়ন পরিষদ—সে বিষয়ে মতামত নিয়ে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায় কমিশন।

বিস্তারিত


স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, নির্বাচন বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কোন স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ নাকি ইউনিয়ন পরিষদ—সে বিষয়ে মতামত নিয়ে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায় কমিশন।


ইসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সংলাপ শুরু করে আগস্টের মধ্যে তা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংলাপ শেষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। এ লক্ষ্যে সংলাপের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় প্রয়োজনীয় ফাইল উপস্থাপন করবে। কমিশনের অনুমোদন মিললে সংশ্লিষ্টদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে।


দেশের অধিকাংশ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান প্রায় দুই বছর ধরে জনপ্রতিনিধিশূন্য অবস্থায় রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা জোরালো হয়েছে। নির্দলীয় এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কয়েকটি রাজনৈতিক দল সম্ভাব্য প্রার্থীর নামও ঘোষণা করেছে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্বাচন কমিশনের একজন সদস্য জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে আচরণবিধি সংশোধনের কাজ চলছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।


তিনি বলেন, কোন স্তরের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আগে হবে, সে বিষয়ে এখনো কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে প্রয়োজন হলে বিভিন্ন অংশীজনের মতামত গ্রহণের জন্য সংলাপ আয়োজন করা হবে।


সব রাজনৈতিক দলকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে ওই কমিশনার বলেন, বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে কমিশন প্রয়োজন মনে করলে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবে, কারণ একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে অংশীজনদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ।


ইসির কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শেষ করে আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গেও নির্বাচন আয়োজনের ক্রম ও সময় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।


বর্তমানে দেশের অধিকাংশ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এ অবস্থায় সংশোধিত আচরণবিধির আওতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।


এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য মাঠপর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।


নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে দেশের ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১টি জেলা পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা এবং ১৩টি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করেছে। পাশাপাশি প্রতিটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক আচরণবিধির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব খসড়ার ওপর মতামত দেওয়ার সময়সীমা গত ৩০ জুন শেষ হয়েছে।


রবিবারের বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা বা চিঠি নির্বাচন কমিশনের কাছে পৌঁছেনি।


নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে চলছে। মাঠপর্যায়ের প্রয়োজনীয় তথ্য কমিশনের হাতে এসেছে এবং অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।


দুই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে বাংলাদেশিদের জন্য আবারও ট্যুরিস্ট বা পর্যটন ভিসা চালু করেছে ভারত। আর ভিসা চালুর এই ঘোষণা আসতেই দেশের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ দুই বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেবা চালুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে।

গত ২৮ জুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের সম্পর্ক নতুন করে জোরদারের লক্ষ্যে ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালুর এই ঘোষণা দেন। এরপরই ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার পাঁচটি ভিসা কেন্দ্রের সামনে আবেদনকারীদের দীর্ঘ  লাইন তৈরি হয়। ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের ভিসা কেন্দ্রের বাইরে গত তিন দিন ধরে এক কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। সে সময় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে হামলা ও কর্মীদের হুমকির মুখে ভারত ট্যুরিস্ট ভিসা সম্পূর্ণ স্থগিত করে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের আমলে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং ভারত-বিরোধী মনোভাবের কারণে সম্পর্কের আরও অবনতি হয়।


গত বছরের ডিসেম্বরে ঢাকায় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর ভারতীয় দূতাবাসে উগ্র জনতার চড়াও হওয়ার চেষ্টার মাধ্যমে তা চরমে পৌঁছায়। বর্তমানে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অধীনে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও অবৈধ অনুপ্রবেশ ও তিস্তার পানি বণ্টনের মতো অমীমাংসিত ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে এখনও শীতল ভাব বজায় রয়েছে।

তবে রাজনৈতিক এই টানাপোড়েন সত্ত্বেও দুই দেশের মধ্যকার গভীর সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতাকে এড়ানো অসম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাশ্রয়ী চিকিৎসা, বিয়ের কেনাকাটা কিংবা পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় থাকা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করার জন্য বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণির কাছে ভারতই একমাত্র ভরসা।

আগে যেখানে প্রতি বছর ২০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি ভারতে যেতেন, ভিসা স্থগিতের পর ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা নেমে আসে মাত্র ৪ লাখ ৭০ হাজারে, যাদের বেশিরভাগই গিয়েছিলেন সীমিত পরিসরে চালু থাকা মেডিকেল ভিসায়।

আগে ভারতের দেওয়া মোট মেডিকেল ভিসার ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশই পেতেন বাংলাদেশিরা। সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় বিকল্প হিসেবে অনেকে চীন, থাইল্যান্ড বা সিঙ্গাপুরে গেলেও মধ্যবিত্তের জন্য তা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ফলে ভাষা বা খাবারের কোনও বাধা না থাকা এবং বাংলাভাষী চিকিৎসকদের সহজলভ্যতার কারণে কলকাতা, চেন্নাই, দিল্লি বা ব্যাঙ্গালুরুর হাসপাতালগুলোই বাংলাদেশিদের প্রধান পছন্দ। মেডিকেল ভিসা পাওয়া কঠিন হওয়ায় অনেকেই এখন ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে ছুটছেন।

ভিসা কেন্দ্রের লাইনে থাকা শফিকুল নামের এক আবেদনকারী জানান, অসুস্থ স্ত্রী ও মায়ের চিকিৎসার জন্য ট্যুরিস্ট ভিসা চালু হওয়াটা তার জন্য জীবনরক্ষাকারী সুযোগের মতো। অন্যদিকে এক সাধারণ আবেদনকারী বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। আমাদের সম্পর্ক সব সময়ই উষ্ণ ছিল, মাঝে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কিন্তু বন্ধুত্ব বজায় রেখেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

ট্যুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালুর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরাও। গত দুই বছরে কলকাতার নিউ মার্কেট ও সদর স্ট্রিট সংলগ্ন ‘মিনি বাংলাদেশ’ খ্যাত বাণিজ্যিক এলাকায় বাংলাদেশিদের আগমন কমে যাওয়ায় হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় মন্দা দেখা দিয়েছিল। ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে এই এলাকার ব্যবসায়ীদের প্রায় ১ হাজার কোটি রুপির ক্ষতি হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে আবারও ব্যবসা চাঙ্গা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


লিওনেল মেসির দূর্দান্ত ম্যাজিকে এবং তার জোড়া গোলে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে আর্জেন্টিনা। মেসির নৈপুণ্যে টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করলো আলবিসেলেস্তেরা। ম্যাচের ৩ মিনিটে বক্সের ভেতর ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা স্ট্রাইকার লাওতারো মার্তিনেজ। অস্ট্রিয়ার দুই ডিফেন্ডারের চাপে বল রাখতে পারেননি।

মার্তিনেজকে বক্সের ভেতর ফাউল করেছেন অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার স্তেফান পশ। ভিআর দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। তবে স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। সাইড পোস্টের বাইরে দিয়ে মারেন তিনি।

৩৩ মিনিটে অস্ট্রিয়ার ডি-বক্সের ভেতর ফের্নান্দেসের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি পাস দারুণভাবে এগিয়ে এসে আটকে দেন শ্লাগার। কিন্তু তিনি বলটি ক্লিয়ার করতে গিয়ে সরাসরি মেসির পায়ে ঠেলে দেন। তবে সেখান থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। 

তবে ৩৮ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে ফাকুন্দো মেদিনার ক্রসে ডামি করেন থিয়াগো আলমাদা। এরপর বাঁ পায়ে অস্ট্রিয়ার জালে বল জড়ান মেসি। বিশ্বকাপে মেসির এখন ২৮ ম্যাচে গোলসংখ্যা ১৭টি। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ডটি এখন একার দখলে নিলেন আটবারের ব্যালন ডি'অর জয়ী এই ফুটবলার।

৬৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার একটি দুর্দান্ত আক্রমণ শেষ হয় ফের্নান্দেসের জোরালো শটের মাধ্যমে। অস্ট্রিয়ার এক ডিফেন্ডার তা ব্লক করে দেন। ৭৪ মিনিটে গঞ্জালেসের হেড পোস্টের বাইরে যায়। 

এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে আবারও গোলের দেখা পান মেসি। এবার বিশ্বকাপে ২ ম্যাচে ৫ গোল দিলেন মেসি। এখন পর্যন্ত মেসিই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা।

২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘জি’ গ্রুপের শীর্ষে আর্জেন্টিনা। সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট দ্বিতীয় অস্ট্রিয়ার। তৃতীয় জর্ডান ও চতুর্থ আলজেরিয়া পয়েন্ট পায়নি এখনো।


ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল নার্সিং কলেজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফুটবল টুর্নামেন্ট যেন রূপ নেয় এক টানটান নাটকে। মুখোমুখি হয় ডিপ্লোমা ইন নার্সিং ও বিএসসি ইন নার্সিং—দুই সমানতালে লড়াই করা দল।


খেলার ২৫তম মিনিটে হঠাৎই ছন্দ ভাঙেন বিএসসি দলের ১০ নম্বর জার্সিধারী নয়ন। তার নিখুঁত শটে জালের দেখা পায় বল, আর সেই এক মুহূর্তই হয়ে ওঠে পুরো ম্যাচের মোড় ঘোরানো দৃশ্য। এরপর দুই দলই চেষ্টা চালালেও গোলের খাতা আর খোলা হয়নি।


শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে বিএসসি ইন নার্সিং দল। ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে তারা টানা ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা জয়ের বিরল কৃতিত্ব গড়ে।


খেলার উদ্বোধন করেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের সিইও নাসির উদ্দিন।তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের আরো আয়োজনে উক্ত প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ত থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।  উক্ত ম্যাচটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেন নাজমুল হোসেন মিলন।


খেলায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল নার্সিং কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত থেকে খেলাটি উপভোগ করেন।

ফেসবুকে আমরা

ভিডিও গ্যালারী

আরো ভিডিও দেখুন

 

 

সর্বশেষ প্রকাশিত সংবাদ আরো খবর