ঢাকা
খ্রিস্টাব্দ

প্রজনন মৌসুম: / সাগরে মাছ ধরা বন্ধ ৫৮ দিন, শুরু হলো সরকারি নিষেধাজ্ঞা / নিষেধাজ্ঞার আওতায় সকল ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও নৌকা
সাগরে মাছ ধরা বন্ধ ৫৮ দিন, শুরু হলো সরকারি নিষেধাজ্ঞা

গ্রাফিকঃ দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ।

বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ৪৭৫ প্রজাতির মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার মৎস্য আহরণে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুধবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

বিস্তারিত
প্রজনন মৌসুম: / সাগরে মাছ ধরা বন্ধ ৫৮ দিন, শুরু হলো সরকারি নিষেধাজ্ঞা / নিষেধাজ্ঞার আওতায় সকল ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও নৌকা
সাগরে মাছ ধরা বন্ধ ৫৮ দিন, শুরু হলো সরকারি নিষেধাজ্ঞা

গ্রাফিকঃ দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ।

বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ৪৭৫ প্রজাতির মাছের অবাধ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার মৎস্য আহরণে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বুধবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত সাগরে সব ধরনের মাছ ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

বিস্তারিত


চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে শত কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়েছে। আগামীকাল শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াদী সার্বজনীন শ্রীশ্রী শ্যামা কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এ গীতা পাঠ অনুষ্ঠিত হবে।


বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটির মিরসরাই উপজেলার হাইতাকান্দি, ওয়াহেদপুর ও সাহেরখালী ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হচ্ছে। উক্ত- অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন।


শত কণ্ঠে গীতা পাঠ উদ্‌যাপন পরিষদের আহ্বায়ক নিতাই দাস জানান, দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে নানা আয়োজন রয়েছে। শুরুতে বিশ্ব শান্তি কামনায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন, জাতীয় পতাকা ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন, উদ্বোধনী সংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে।


এরপর শত কণ্ঠে গীতা পাঠ, অতিথি সংবর্ধনা এবং ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে।


হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ২ শিশু নিশ্চিত হামে ও বাকি ৫ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭২৯ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৮২ জনের। সোমবার (১৩ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এই হিসাব ১২ এপ্রিল সকাল ৮টা থেকে ১৩ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে দেশে মোট ৩০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৫৬ শিশুর।


এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আসা ১৭ হাজার ২৪ জনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ৯৫৪ জন। তাদের মধ্যে ২ হাজার ৭২১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন ৮ হাজার ৩৬৯ জন।


গত ২৪ ঘণ্টায় হামে যে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তারা ঢাকা বিভাগের। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া পাঁচ শিশুর চারজন ঢাকা বিভাগের, একজন রাজশাহীর। এই সময়ে সর্বোচ্চ ৭৬ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। চারজনের হাম শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী বিভাগে এবং চট্টগ্রাম শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই। বাকি বিভাগগুলোতে কোনো শনাক্ত রোগী নেই।


ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল আজ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল দিন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন এ দিনে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। এদিনই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুক্তিবাহিনী সংগঠন ও সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় এবং নয় মাসের যুদ্ধে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে এই বিপ্লবী সরকারই। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার।


জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। ২৫ মার্চ রাতে মুক্তিকামী বাঙালীদের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। সে রাতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতারের আগে ঘোষণা করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বাঙালি শুরু করে প্রতিরোধ। শুরু হয় যুদ্ধ।




সরকার গঠনের পর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (প্রোক্লেমেশন অব ইন্ডিপেন্ডেস) পাঠ করা হয়। এদিন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণাকেও অনুমোদন করা হয়। এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।


এরই ধারাবাহিকতায় প্রথমে চুয়াডাঙ্গায় বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও তা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী জেনে যাওয়ায় ১৭ এপ্রিল বর্তমানের মুজিবনগর তখনকার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠিত হয়।


১০ এপ্রিল পাকিস্তানের নির্বাচিত জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদ সদস্যরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি গোপন স্থানে মিলিত হয়ে প্রবাসী সরকার গঠন করেন। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) নির্বাচিত করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম পরে তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।


মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা হলেন—এম মনসুর আলী (অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প) এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান (স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি)। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি বেইমান খন্দকার মোশতাক আহমদও (পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ) মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন।


১০ এপ্রিল সরকার গঠনের পর ১১ এপ্রিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে তাজউদ্দীন আহমদ একটি বেতার ভাষণ দেন। এ ভাষণে তিনি দেশব্যাপী পরিচালিত প্রতিরোধ যুদ্ধের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। এছাড়াও ১৭ এপ্রিল মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের তারিখ নির্ধারিত হয়।


এই সরকারের দক্ষতার ফলেই মাত্র ৯ মাসে বাংলাদেশ হানাদার পাকিস্তানিদের দখলমুক্ত হয়েছিল। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। তাই ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয়, অমলিন একটি দিন।



বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনে অস্বচ্ছতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। একই সঙ্গে বোর্ড পরিচালনার জন্য ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক আমিনুল আহসান আজ মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে। তিন মাস দায়িত্ব পালন করবে এই কমিটি।



আমিনুল আহসান গণমাধ্যমকে জানান, অ্যাডহক কমিটির এই তালিকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে পাঠানো হয়েছে। বিসিবি পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি প্রয়োজন।



তামিম ইকবালের নেতৃত্বে এডহক কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- আতহার আলী খান, মিনহাজুল আবেদীন, রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু,  তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম ও ফাহিম সিনহা। এরই মধ্যে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়ার কথা এবং নতুন এডহক কমিটির নামও আইসিসিকেও ইমেইলে জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আমিনুল এহসান। 



এরআগে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনে সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার হস্তক্ষেপের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, নির্বাচনে কারচুপির উদ্দেশ্যেই ‘ই-ভোট’ সুবিধা ব্যবহার করা হয়েছিল।



এ ছাড়া স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে পরিচালক করা হয়। পাশাপাশি সাবেক ১০ ক্রিকেটারকে কাউন্সিলর করায় নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।



তদন্ত কমিটির মতে, ওই নির্বাচনে বিসিবির স্বায়ত্তশাসন, স্বাধীনতা ও স্বচ্ছতা পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে।
ফেসবুকে আমরা

ভিডিও গ্যালারী

আরো ভিডিও দেখুন

 

 

সর্বশেষ প্রকাশিত সংবাদ আরো খবর